Digital MarketingMake Money

ফ্রিল্যান্সিং কি? কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন ?

ফ্রিল্যান্সিং হলো এমন একটি মাধ্যম বা উপায়। যার দ্বারা আপনারা অনলাইনে কাজ করবেন এবং সেই কাজের বিনিময়ে টাকা আয় করতে পারবেন l ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি মুক্ত পেশা। এখানে আপনি যখন ইচ্ছা তখনই কাজ করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কি?

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো কন্টাক্ট এর কাজ করে  দেওয়া। ইন্টারনেটে বেশ কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ পোস্ট করে। সেখানে ফিল্যান্সাররা এই কাজগুলো নিজের মতো করে সুন্দর করে কমপ্লিট করে দেয়। ফলে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কাজের বিনিময়ে ফ্রিল্যান্সারদেরকে অর্থ প্রদান করে থাকেন এটাই হচ্ছে মূলত ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্স (Freelance) শব্দটি Free এবং Lance দুটি শব্দের সমন্বয়ে তৈরি।

অনলাইনে ইনকাম সম্পর্কে জানতে এখানে ভিজিট করুন

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন? 

ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে প্রথমে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। এক্ষেত্রে নিজেকে ইংলিশে স্কিল ডেভেলপ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অধিকাংশ ভায়ারই তাদের কাজের বিস্তারিত ইংরেজিতে দিয়ে থাকেন। তবে এখানে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। 

কেননা, আপনই যদি কিছুটা ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। ফলে তাদের সাথে কাজ করার সাথে সাথে আপনিও ইংলিশে অনর্গল কথা বলতে পারবেন। আপনার মধ্যে যদি অনলাইনের ওপর নিজস্ব কোন স্কিল আগে থেকেই থাকে তাহলে আপনি তা কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। 

স্কিল  গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো: 

       ১. এডভার্টাইজিং 

       ২. আর্টিকেল বা কনটেন্ট রাইটিং 

       ৩. মার্কেটিং স্কিলস 

       ৪. প্রোগ্রামিং

       ৫. এসইও অপটিমাইজেশন 

       ৬. ট্রানস্ক্রিপশন 

       ৭. গ্রাফিক্স ডিজাইন 

       ৮. ভিডিও এডিটিং 

       ৯. ওয়েব ডিজাইন 

      ১০. ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট

অর্থাৎ, এই ধরনের স্কিল যদি আপনার জানা থাকে। তবে এধরনের কাজ করেও আপনি অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করতে পারেন।

কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করবেন এই সম্পর্কে আরো জানতে এই সাইটে ভিজিট করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ যেখানে পাবেন?

ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ পেতে হলে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসগুলোতে একাউন্ট করে নিতে হবে। যেখানে বায়াররা এসে কাজ পোস্ট করে থাকে। সেই মার্কেটপ্লেস গুলো হচ্ছে-

         ১. ফাইবার 

         ২. আপওয়ার্ক 

         ৩. ফ্রীল্যান্সার ডট কম 

         ৪. আইটি বাড়ি 

         ৫. মাইক্রো ওয়ার্কার্স ডট কম 

         ৬. গুরু ডট কম 

সুতরাং উপরোক্ত মার্কেটপ্লেসগুলো ফ্রিল্যান্সিং এর কাজের দেয়া নেয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। কারণ এখানে কোন বায়ার ফ্রিল্যান্সারদেরকে এবং কোন ফ্রিল্যান্সার বায়ারদেরকে ঠকাতে পারবে না। কারণ কেউ যদি কারো সাথে কোনরকম দুর্নীতি করতে চায়। 

তাহলে সেক্ষেত্রে দুর্নীতি ব্যক্তির প্ল্যাটফর্মটিতে শুধু খারাপ ইম্প্রেশন করলে অথবা রিপোর্ট করলে এক সময় দুর্নীতি ব্যক্তির প্ল্যাটফর্ম ব্যান হয়ে যাবে। ফলে তার নিজের ইম্প্রেশন দিন দিন খারাপ হয়ে যাবে। তাই এই ভয়ে কেউ কারো সাথে কোন প্রকার প্রতারণা করার সাহস পায় না। আর এজন্যই এই প্লাটফর্ম গুলো অনেক জনপ্রিয় যদিও এখানে অনেক ব্যাট কেটে রাখে।

ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা যেভাবে পাবেন?

কমবেশি অনেকেই ভাবছে যে ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা কিভাবে নিজের হাতে পাব। এর জন্যও বিকল্প পদ্ধতি আছে। আর সেই বিকল্প পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি আপনার কষ্টের টাকা হাতে পাবেন। বিকল্প পদ্ধতি গুলোকে পেমেন্ট গেটওয়ে বলে। সেই পদ্ধতিগুলো হলো:

      ১. পেপাল 

      ২. পাইওনিয়ার 

      ৩. ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক একাউন্ট 

      ৪. মাস্টার কার্ড 

      ৫. টু-চেক আউট 

      ৬. ইজি পে ওয়ে 

উপরোক্ত আলোচিত এ পেমেন্ট গেটওয়ে এর মাধ্যমে আমরা ফ্রিল্যান্সিং করে বায়ারদের কাছ থেকে টাকা লেনদেন করতে পারবেন। তবে আপনার কাছ থেকে এই পেমেন্ট গেটওয় সার্ভিস দেওয়ার জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে কোম্পানিগুলো একটি স্বল্প সার্ভিস চার্জ কেটে রাখবে। সার্ভিস চার্জ হতে পারে ২% থেকে ৩.৫% শতাংশ। যেমন- ১০০ টাকায় ২ থেকে ৩ টাকা কাটবে।

আমাদের শেষ কথা

উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম যে ফ্রিল্যান্সিং কি? কিভাবে করবেন এবং ফ্রিল্যান্সারের কাজ কোথায় পাবেন?

এই ব্যাপার হয়তো আপনারা ভাল করেই বুঝে গেছেন অনলাইনের এর মাধ্যমে ঘরে বসে কাজ করে টাকা ইনকাম করা অনেক লাভজনক। তবে এর জন্য আপনাকে এমন এক দক্ষতা বা কাজের অভিজ্ঞতা বিষয় জানতে হবে। যেটা আপনি সহজে এক্সপার্ট এবং সেই কাজ আপনি নিজে সহজেই করতে পারবেন। সঠিকভাবে এগিয়ে গেলে এখানে আপনারা একদিন সফল হয়ে দাঁড়াতে পারবেন।

Leave a Comment